আবার রাজপথে ছাত্র-জনতা’

 নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী হত্যার বিচার এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে গতকাল আবারো উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ।



এদিন বৃষ্টিতে ভিজে সারা দেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে আসে। পরিবারের সব সদস্যকে নিয়েও অনেককে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা গণমিছিলে উপস্থিত হতে দেখা যায়।


তবে বেশ কিছু স্থানে সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।


"রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের পাশাপাশি ছাত্রলীগ-যুবলীগের গুলি, টিয়ার শেলে কমপক্ষে শতাধিক ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে," লিখেছে নয়া দিগন্ত পত্রিকা।

এই রিপোর্টে আরো বলা হয়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর জাতীয় প্রেস ক্লাব, বায়তুল মোকাররম, পল্টন, হাইকোর্ট, শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, উত্তরা, বাড্ডা আফতাবনগরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে নানা বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশুরা বিক্ষোভে রাজপথে নেমে আসেন।


"তাদের সাথে যুক্ত হন শিক্ষক-চিকিৎসক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অংশগ্রহণ। পুলিশের সাঁজোয়া যান এপিসি দখলে নিয়ে লাল রঙে লিখে দেয়া হয় ‘ভুয়া

গুলি করতে পুলিশকে উস্কে দেন এক শিক্ষক— এটি সমকাল পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার সময় সেখানে শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হেলমেট পরা তাদেরই একজন এক পুলিশকে গুলি করতে বলেছেন।


ঘটনার সময়কার বিভিন্ন স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন ছাত্র ও প্রতিবাদী শিক্ষকরা। পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই বলেছেন, ১৬ই জুলাই পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের সময় প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সঠিক ভূমিকা পালন করলে শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনা এড়ানো যেত।


এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে নিহতের ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া তো দূরের কথা, এ বিষয়ে তদন্তকাজেও গড়িমসি করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঘটনার পর দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এ ব্যাপারে গঠিত কমিটি তাদের কাজ শুরু করেনি।’"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন